ব্লগ

  • পুস্তক সমালোচনা
    আলোচক: গোবিন্দ মোদক গ্রন্থ: “ইন্দ্রাবতী, তুমি কেঁদো না, গর্জে ওঠো”।গ্রন্থকার: সৌমিত্র মজুমদার।প্রকাশক: দুর্বাসা প্রকাশনা, কলকাতা – 31 গ্রন্থটির বিষয়বস্তু: ছত্তিশগড় রাজ্যের বস্তর এলাকায় বসবাসকারী আদিবাসীদের সংগ্রামের ঐতিহাসিক দলিল।আলোচক: গোবিন্দ মোদক।           বিশ্বের সমস্ত শোষিত-বঞ্চিত-পীড়িত-অসহায় মানুষদেরকে উৎসর্গ করে আলোচ্য বইটি লেখা হয়েছে যারা যুগে যুগে অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে স্বাধিকার রক্ষার তাগিদে গর্জে উঠেছেন এবংContinue reading “পুস্তক সমালোচনা”
  • অখণ্ড আদর্শ ও সমবেত উপাসনা- সাম্প্রদায়িকতাদুষ্ট ধর্মসঙ্কটের আঁধারে এক নব আলোর দিশা
    নিবন্ধ / সুভাষ কর লেখা শুরুর আগেই বলে রাখা দরকার, অনেক বিশ্লেষণের পর যারা পৃথিবীতে মানুষের যা কিছু না পাওয়া, যা কিছু বঞ্চনা, লাঞ্ছনা, মানুষের সব অপূর্ণতা, অন্যায়, হানাহানি, সব কালো অন্ধকার দিকের জন্যে ইতিমধ্যেই স্থিরভাবে ‘ধর্ম’ কেই চিহ্নিত করে ফেলেছেন, তাদের জন্যে এই লেখা নয়। ধর্মে আস্থা রাখা একজন মানুষ হিসেবে অনুরূপ হাজারো লাখোContinue reading “অখণ্ড আদর্শ ও সমবেত উপাসনা- সাম্প্রদায়িকতাদুষ্ট ধর্মসঙ্কটের আঁধারে এক নব আলোর দিশা”
  • পত্রসাহিত্য / কিঞ্জল রায়চৌধুরী
    [একটি চিঠি – নিজেরই এক গল্পের নায়িকা প্রিয়দর্শিনীকে ] প্রিয়দর্শিনী, উপন্যাসটা এখনও মাঝপথে থমকে আছে দেখে হয়তো তোমার অভিযোগের শেষ নেই। লিখতে গিয়ে কলম অথবা কিপ্যাড স্পর্শ করলেই সেটা আমি টের পাই।  তোমারই মতো অধীর অপেক্ষায় আছেন আরও অনেকেই। কেননা তারাও  ইতিমধ্যে  জেনেছেন আমার এই উপন্যাসটার কথা। তাদেরও ফেরানো যায়না আর! কিন্তু কী করি বলোতোContinue reading “পত্রসাহিত্য / কিঞ্জল রায়চৌধুরী”
  • সমসাময়িক কবিদের কবিতাবোধ
    সৌমেন দেবনাথ / মুক্তগদ্য কবিদের চিন্তার জগৎ আর সাধারণ পাঠকের বোধের গভীরতা এক নয়, সমান নয়। সে কারণেই সমকালের পাঠক সমাজ অপবাদ দেন,’আমাদের কবিতা দুর্বোধ্য’। পঠিত কবিতার সিংহ ভাগই বুঝতে পারেন না। আছে আড়ালতা, প্রচ্ছন্নতা। এই আড়ালতা বা প্রচ্ছন্নতা কবিতার শত্রু নয়, কবিতার শত্রু দুর্বোধ্যতা। কবিদের চিন্তার ক্ষুরধারতা, প্রখরতা, দৃঢ়তা বা উত্তরাধুনিক মননতা পাঠকের জন্য অদৃশ্যContinue reading “সমসাময়িক কবিদের কবিতাবোধ”
  • জীয়ন কাঠি / রিমা দাস
    মুক্তগদ্য ছোটোবেলা থেকে এই প্রৌঢত্বে পৌঁছেও একটা বদনাম আমার আদ্যপান্ত জড়িয়ে আছে, আমি নাকি ঘুরণচন্ডী।ঘুরণচন্ডী কিনা জানি না কিন্তু হ্যাঁ অস্বীকার করার উপায় নেই ঘুরতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। তা সে মানচিত্রে খ্যাত অখ্যাত যে রকম জায়গা হোক না কেন। আর মজার কথা যেখানেই  যাই সেই জায়গার প্রেমে মজে যেতে আমার বেশীক্ষণ লাগে না। তাইContinue reading “জীয়ন কাঠি / রিমা দাস”
  • তিন সঙ্গী’র তিন নারী
    নাসিমা রহমান বাংলা সাহিত্যে শিল্পসম্মত ভাবে ছোটগল্পের সূচনা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । আর তাঁর হাত ধরেই বাংলা ছোটগল্প শৈশব থেকে কৈশোর কাটিয়ে মধ্যবয়সে পৌঁছেছিল । তাঁর এক-একটি ছোটগল্প এক-একটি শিল্পরূপের অপরূপ সৃষ্টি । যেমনভাবে বাংলা ছোটগল্পের সূত্রপাত তিনি করেছিলেন তেমনভাবে তিনিই তাকে পরিণতিতে পৌঁছেছিলেন । প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম,স্বদেশপ্রেম ও রোমান্টিক সৌন্দর্যচেতনাকে ভাষা ও ছন্দ দিয়ে ;Continue reading “তিন সঙ্গী’র তিন নারী”
  • পর্দায় নারী প্রগতিশীলতার প্রথম পথিকৃৎ সত্যজিৎ রায়
    চিরঞ্জিৎ সাহা আমাদের স্লেটবেলায় বাঙালি মধ্যবিত্তের বাড়িতে বড় আপন নাম ছিল রবীন্দ্র-নজরুল-সত্যজিৎ। বিশ্বকবি আর জাতীয় কবির সঙ্গে এক নিঃশ্বাসে তৃতীয় ব্যক্তিটির নামোচ্চারণ যুক্তিসংগত কিনা , সে নিয়ে ইদানীং সত্যিই বড়ো দ্বিধায় পড়ে যাই। কারণ, ‘লোকে কী বলবে?’ প্রশ্নটা মাথার মধ্যে কিলবিলিয়ে ওঠে সহজেই । অবশ্য যে শৈশবের কথা বলছি, তখন এমনটা হত না। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,Continue reading “পর্দায় নারী প্রগতিশীলতার প্রথম পথিকৃৎ সত্যজিৎ রায়”
  • স্বপ্নের দিন
    অভিষেক ঘোষ সচরাচর আমি সকাল ন’টার আগে ঘুম থেকে উঠি না, কিন্তু আজ যা গরম ! আমাকে অনেক দুঃস্বপ্ন দেখতে হয়, প্রতিদিন । ওরা আমার রসদ । এই গরমে আজকাল দেখছি দুঃস্বপ্ন দেখার পরিমাণও বেড়ে গিয়েছে । দেখি আর সকালে উঠে লিখে রাখি । এমনিতে আমার দুনিয়ায় সব কিছু এক্কেবারে স্বাভাবিক । আমার দুনিয়ায় কেউContinue reading “স্বপ্নের দিন”
  • হাজার পায়ের মানুষ
    ঋভু চট্টোপাধ্যায় এ’লাইনে ট্রেনে এখন খুব ভিড়, অন্তত সুন্দরীর তাই মনে হচ্ছে।আগে ট্রেন প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ানোর পর সবাই উঠলে ধীরে সুস্থে লেডিস কামরাটাতে উঠত, ভিড়টা একটু কম থাকে।তাছাড়া প্রতিদিন যাতায়াত করবার জন্য অনেকের মুখ চেনা হয়ে গেছে, কেউ না কেউ হাতটা ধরে উঠিয়েও দেয়।ডেলি প্যাসেঞ্জার দিদিরা প্রায় সবাই সুন্দরীকে চেনে।অনেকেই ভালোবেসে কথা বলে, টাকা না দিলেওContinue reading “হাজার পায়ের মানুষ”
  • সেযুগের কলকাতা ও বি.কে. পাল
    – কৌশিক চক্রবর্ত্তী উত্তর কলকাতার বি.কে. পাল এভিনিউ দিয়ে হাঁটেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুরস্ত। কে এই বিকে পাল? অর্থাৎ বটকৃষ্ণ পাল। শোভাবাজার স্ট্রিটে বনেদি বাড়ির গা ঘেসে তাঁর বিশাল প্রাসাদ ও ওষুধের দোকান আজও জাজ্বল্যমান। আসুন জেনে নিই তাঁর ইতিহাস। চিৎপুর রোডে ছোট্ট একফালি আফিমের দোকান থেকে শোভাবাজার স্ট্রিটে বিশাল অট্টালিকা- বটকৃষ্ণের এই পথContinue reading “সেযুগের কলকাতা ও বি.কে. পাল”

আমাদের ব্লগ নিয়মিত পেতে চান ?

নিচে আপনার ইমেইল দিন এবং নিয়মিত আমাদের ব্লগ পান আপনার ইনবক্সে

%d bloggers like this: